জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ-এর বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন-এর আদালতে মামলার প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন। পরে আদালত আগামী ২০ মে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।
মামলার তথ্যমতে, দুদকের নির্দেশে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন বেনজীর আহমেদ। দাখিলকৃত বিবরণীতে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন।
তবে তদন্তে দুদক বেনজীর আহমেদের নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পায়। এতে ১ কোটি ৮৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২২ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।
এছাড়া তদন্তে তার নামে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা ঘোষণার তুলনায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার ২৯৮ টাকা বেশি।
দুদকের হিসাব অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদ মোট ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
এ ঘটনায় সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।
চার্জশিটে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে গত ৩ মে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |