রাজধানী ঢাকার সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় এখনই দৃশ্যমান ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষ করে শহরের আকাশজুড়ে ঝুলে থাকা কারেন্ট (বিদ্যুৎ) ও ইন্টারনেটের তার নিয়ে নাগরিকদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। পরিকল্পিতভাবে এসব তার মাটির নিচে নেওয়া গেলে ঢাকার নান্দনিকতা যেমন বাড়বে, তেমনি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন সড়ক, গলি ও আবাসিক এলাকায় বৈদ্যুতিক ও ইন্টারনেটের তার জট পাকিয়ে ঝুলতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও খুঁটির পর খুঁটি বসিয়ে অপরিকল্পিতভাবে তার টানানো হয়েছে। এতে একদিকে যেমন দৃষ্টিকটু পরিবেশ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে ঝড়-বৃষ্টিতে তার ছিঁড়ে পড়ে অগ্নিকাণ্ড বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।
বিশেষ করে পুরান ঢাকা, নবাবগঞ্জ ও গুলিস্তান এলাকায় প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে কারেন্ট ও ইন্টারনেট তারের ভয়াবহ জট। উপর দিকে তাকালে মনে হয় যেন বৈদ্যুতিক তারের কোনো কারখানার ভেতরে দাঁড়িয়ে আছেন। অসংখ্য তার একসঙ্গে ঝুলে থাকায় পুরো আকাশটাই যেন ঢেকে গেছে। এতে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশও হয়ে উঠছে অগোছালো ও ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয়রা জানান, নতুন সংযোগ দেওয়ার সময় পুরোনো ও অকার্যকর তার অপসারণ করা হয় না। ফলে বছরের পর বছর ধরে জমতে জমতে তৈরি হয়েছে এই বিশৃঙ্খল অবস্থা। বিভিন্ন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবও সমস্যাকে জটিল করেছে।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, ধাপে ধাপে কারেন্ট ও ইন্টারনেটের তার আন্ডারগ্রাউন্ড বা মাটির নিচে স্থাপন করা হলে রাজধানীর চেহারায় আমূল পরিবর্তন আসতে পারে। এতে যেমন নান্দনিকতা বাড়বে, তেমনি নিরাপত্তা ও সেবা ব্যবস্থাপনাও হবে আরও উন্নত।
সচেতন মহল বলছে, জরুরি ভিত্তিতে সরকারকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে যদি রাজধানীর তারের জট অপসারণ করা যায়, তবে ঢাকা শুধু দেশেই নয়, বিশ্বের দরবারেও একটি পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও আধুনিক শহর হিসেবে পরিচিতি পাবে। একটি পরিবেশবান্ধব ও নান্দনিক রাজধানী গড়ে তুলতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের দাবি।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |