| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

দেশের ৩ হাজার স্থানে প্রতিদিন ‘১০০ কোটি টাকার’ চাঁদাবাজি—উদ্বেগ বাড়ছে জনমনে

রিপোর্টারের নামঃ মোঃ রোকনুজ্জামান
  • আপডেট টাইম : 23-02-2026 ইং
  • 440 বার পঠিত
দেশের ৩ হাজার স্থানে প্রতিদিন ‘১০০ কোটি টাকার’ চাঁদাবাজি—উদ্বেগ বাড়ছে জনমনে
ছবির ক্যাপশন: ফাইল ফটো

মোঃ রোকনুজ্জামান নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের প্রায় ৩ হাজার স্থানে প্রতিদিন প্রায় ১০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি হচ্ছে—এমন অভিযোগ ঘিরে জনমনে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা শহরের বাস স্টেশন, টেম্পো স্টেশন, অটোরিকশা স্ট্যান্ড এবং সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকান থেকে নিয়মিতভাবে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা-কর্মী, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল এবং প্রশাসনের অসাধু অংশের যোগসাজশে এই চাঁদাবাজি চলছে। যদিও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ—প্রতিদিন নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা না দিলে তাদের ব্যবসা বা গাড়ি চালাতে বাধা দেওয়া হয়।

সরেজমিনে যা দেখা গেল

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে টাকা আদায় করা হচ্ছে। রাস্তার পাশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফুটপাতের দোকানদার এবং পরিবহন চালকরা অভিযোগ করেন, “চাঁদা না দিলে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হয়।” অনেকে পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রশাসনের সামনেই এসব ঘটনা ঘটলেও কার্যত কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

ফুটপাত দখল ও রাজনৈতিক প্রভাব

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের ছত্রছায়ায় ফুটপাত দখল করে অস্থায়ী দোকান বসানো হয় এবং সেখান থেকেও নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হয়। এতে একদিকে নগর ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের চলাচলেও ভোগান্তি বাড়ছে।

আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের প্রকাশ্য চাঁদাবাজি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত দেয়। চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়বে।

করণীয় কী?

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন—

  • চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে।
  • ভুক্তভোগীদের জন্য হটলাইন ও নিরাপদ অভিযোগ ব্যবস্থার ব্যবস্থা করতে হবে।
  • রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
  • সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

জনমনে এখন প্রশ্ন—সরকার এই অভিযোগগুলো তদন্ত করে চাঁদাবাজি বন্ধে কী পদক্ষেপ নিচ্ছে? সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর পক্ষ থেকে দ্রুত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করছেন সাধারণ মানুষ।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাংলা | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় নিউজ বাংলা