ফারজানা ইয়াসমিন: নিজস্ব প্রতিনিধি
বর্তমান সময়ে তরুণ-তরুণীদের কাছে জিম যেন এক নতুন জীবনধারার নাম। সুগঠিত শরীর, ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস—এই তিনটি লক্ষ্য নিয়েই প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ জিমমুখী হচ্ছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক নিয়ম না মানলে জিম উপকারের পাশাপাশি ক্ষতির কারণও হতে পারে।
ফিটনেস সচেতনতার ইতিবাচক দিক
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ব্যায়াম হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখে, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়। জিমে কার্ডিও ও স্ট্রেংথ ট্রেনিং শরীরের পেশি শক্তিশালী করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
এছাড়া নিয়মিত শরীরচর্চা মানসিক চাপ কমায়, বিষণ্নতা হ্রাস করে এবং ঘুমের মান উন্নত করে। কর্মব্যস্ত জীবনে জিম অনেকের জন্য হয়ে উঠেছে মানসিক প্রশান্তির একটি মাধ্যম।
অসচেতনতায় বাড়ছে ঝুঁকি
তবে সঠিক প্রশিক্ষক ও নিয়ম না মেনে ব্যায়াম করলে দেখা দিতে পারে নানা জটিলতা। হঠাৎ ভারী ওজন তোলা, পর্যাপ্ত ওয়ার্ম-আপ না করা কিংবা শরীরের সক্ষমতার বাইরে গিয়ে অনুশীলন করলে পেশি টান, লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া বা হাড়ের ক্ষতি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, দ্রুত শরীর গঠনের আশায় অনেকেই স্টেরয়েড বা ক্ষতিকর সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে লিভার, কিডনি ও হৃদ্যন্ত্রের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
চিকিৎসকদের মতে, জিম শুরু করার আগে শারীরিক পরীক্ষা করা উচিত। প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে ব্যায়ামের মাত্রা বাড়ানো নিরাপদ। পাশাপাশি সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত পানি পান ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম অত্যন্ত জরুরি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীর গঠন নয়—সুস্থ জীবনযাপনই হওয়া উচিত জিমের মূল লক্ষ্য।
উপসংহার
সবশেষে বলা যায়, জিম নিজে উপকারী বা অপকারী নয়; বরং ব্যবহারকারীর সচেতনতার ওপরই নির্ভর করে এর ফলাফল। নিয়ম মেনে ও পরিমিত ব্যায়াম করলে জিম হতে পারে সুস্থ জীবনের অন্যতম সহায়ক, আর অসচেতনতা ডেকে আনতে পারে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |