গাজীপুর প্রতিনিধি: মোঃ মনির হোসেন সরকার
‘মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুরে জেলা পর্যায়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকালে গাজীপুর মহানগরীর পিটিআই অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘এডুকেশন এক্সিলেন্স সাপোর্ট সিস্টেম’ ও আইইডিপি কর্মসূচির আওতায় এ আয়োজনটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করা হয়।
মেলায় জেলার ৫টি উপজেলা থেকে বাছাইকৃত ও উদ্ভাবনী কাজে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের এসব প্রকল্প ছিল বাস্তবসম্মত, মানবকল্যাণমুখী এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানমূলক ধারণায় ভরপুর।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি। তিনি প্রদর্শিত প্রতিটি স্টল ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাধারার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শিক্ষার্থীদের তৈরি প্রতিটি প্রজেক্টই মানবকল্যাণে নিবেদিত এবং দৈনন্দিন জীবনের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এই সৃজনশীলতা সত্যিই প্রশংসনীয়। এসব উদ্ভাবন কীভাবে জাতীয় পর্যায়ে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও আশ্বাস দেন।
গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এম. রকিবুল হাসান, গাজীপুর প্রেসক্লাবের তত্ত্বাবধায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য দেলোয়ার হোসেন, কাপাসিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. তামান্না তাসনীম, সরকারি রানী বিলাসমনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরফ উদ্দিন এবং জেলা শিক্ষা অফিসার আল মামুন প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সদর, কালীগঞ্জ, কালিয়াকৈর ও কাপাসিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, এখানে প্রদর্শিত প্রতিটি প্রকল্পই একটি বৃহৎ উদ্যোগে রূপ নিতে পারে। পৃথিবীর অনেক বড় প্রতিষ্ঠানও শুরু হয়েছিল একটি ছোট উদ্ভাবনী আইডিয়া থেকে। উদ্ভাবনের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের জীবনকে সহজ করা এবং সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা।
প্রতিযোগিতার ফলাফল অনুযায়ী, যৌথভাবে প্রথম স্থান অর্জন করে কাপাসিয়া উপজেলার ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় এবং কালীগঞ্জের খৈকড়া উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে কালিয়াকৈরের আফাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে শ্রীপুরের স্বপ্নছোঁয়া উচ্চ বিদ্যালয়।
মেলায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও সৃজনশীল চিন্তাধারা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |